আগামী 12ই ফেব্রুয়ারি:- বাড়ি থেকে বেরোতে চাইলে বা কোথাও যাওয়ার থাকলে আপনারা কারণ আগামী বারই ফেব্রুয়ারি ভারত বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রায় দীর্ঘ কয়েক বছর পর এই বন্ধ কালচার আবারো সামনে আসছে কারা বন্ধ রাখলো কেন বন্ধ রাখলো কি কারণ বলব দেশ জুড়ে ফের বড়সড় বিক্ষোবের প্রস্তুতি 12ই ফেব্রুয়ারি সর্বভারতীয় ধর্মঘট বা নেশন ওয়াইড জেনারেল স্ট্রাইক ডাকলো 10টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথমঞ্চ তাদের দাবি এবার রাস্তায় নামছেন কমপক্ষে 30 কোটি শ্রমিক। ইতিমধ্যেই জেলা ও ব্লক স্তরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কিন্তু কেন এই ধর্মঘট এবং তোলে রাখা ভালো এই ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়েছেন কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কিষান মোর্চাও।
কারণ কি এই ধর্মঘটের?
ট্রেড ইউনিয়নগুলির অভিযোগ কেন্দ্র সরকার যে চারটি নতুন শ্রম আইন এনেছে তাতে শ্রমিকের অধিকার ও কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে দুর্বল হচ্ছে। তাদের দাবি নতুন আইনে মালিকদের হাতে নিয়োগ ও বরখাস্ত করার ক্ষেত্রে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে
ফলে কর্মীদের সুরক্ষা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। এই আন্দোলনের শুধু শ্রমিক সংগঠনই নয় কৃষক সংগঠনগুলিও জোরালো সমর্থন জানাচ্ছে। ফলে গ্রাম থেকে শহর গোটা দেশ জুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে বড়সড় ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন।
এই যৌথ ডাক প্রথম দেওয়া হয়েছিল 9ই জানুয়ারি 2025 এ। কেন্দ্রের শ্রমিক বিরোধী, কৃষক বিরোধী এবং দেশবিরোধী কর্পোরেটপন্থী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জানাতে এই আন্দোলন। এ কথাই জানাচ্ছেন ইউনিয়নগুলি। অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য। এবার 30 কোটির কম শ্রমিক নামবেন না রাস্তায়। তার দাবি গত বছরের 9ই জুলাই ধর্মঘটে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় 25 কোটি। এবার তার থেকেও বড় পরিসরে ধর্মঘট হবে 600 জেলা জুড়ে। যেখানে গত বছর প্রভাব পড়েছিল প্রায় 550 টি জেলায়। বিজেপি শাসিত রাজ্যেও কিন্তু এর প্রভাব পড়বে এমনটা সংগঠনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে।
আপনারা এগুলো পড়তে পারেন
1.Rajasthan today budget 2026: big announcement
2.Tepnot App Which would be India’s Future Instagrame
3.What Is GPS and Why Is It Important in Daily Life?
যৌথমঞ্চ গুলি হলো
সংগঠনের যারা দায়িত্বে তারা বলছেন যে ওড়িশা এবং আসামে সম্পূর্ণ শাটডাউন হবে। অন্যান্য বিদ্যাভি শাসিত রাজ্যেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। কৃষক, কৃষি শ্রমিক, শিক্ষার্থী সকলেই এই সমর্থন করেছেন এই ধর্মঘটকে। যৌথমঞ্চ অর্থাৎ ট্রেড ইউনিয়নগুলো যে যৌথমঞ্চ তাদের একটি যৌথ বিবৃতি সামনে আসছে এবং সেই বিবৃতিতে সমযুক্ত কিসান মোর্চা পুরোপুরি সমর্থন জানিয়েছেন এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি নিয়ে মাঠে নামা হবে। কৃষি শ্রমিকদের যৌথ ফোরামও আন্দোলনে নেমেছে। মানে পুনর্বহালের দাবিতে। সরকারি ,বেসরকারি অফিস, শিল্পাঞ্চল, গ্রাম ও শহর সব জায়গাতেই চলছে প্রচার অভিযান। অনেক জায়গায় শিক্ষার্থী ও যুব সম্প্রদায়ও যোগ দিয়েছে। সাধারণ নাগরিকরাও নানাভাবে সমর্থন জানাচ্ছেন বলে দাবি এই ট্রেড ইউনিয়নের যে ফোরাম রয়েছে সেই ফোরামের তরফ থেকে। আচ্ছা ইউনিয়নগুলি কি দাবি রাখছেন? মূলত যে মঞ্চগুলি রয়েছেন এই যৌথ মঞ্চে আইএনটিইউসি ,এআইটিইউসি ,এইচ এমএস ,সিআইটিইউ ,এ আই ইউ টি ,ইউসি টি, ইউসি ,এসইডব্লিউএ ,এ আইসিসিটিইউ, এলপিএফ এবং ইউটিইউসির মত সংগঠন 12ই ফেব্রুয়ারি দেশ জুড়ে।
ধর্মঘাটের প্রভাব
ধর্মঘট হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় সড়প্রভাব পড়তে পারে তাই আগে থেকেই সকলকে সচেতন থাকার বার্তাও কিন্তু দেওয়া হচ্ছে সব মিলিয়ে আগামী 12ই ফেব্রুয়ারি যদি কোথাও যেতে চান বা বাড়ির বাইরে পা রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য কারণ সেদিন সারা ভারতব্যাপী বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেশ কিছু ট্রেড ইউনিয়ন।
বন্ধের জড়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিসেবার আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন বড় শহরের বাজার ও দোকানপাট, পাবলিক সেক্টরের ব্যাংক, একাধিক সরকারি দপ্তর, বাস, ট্রেন, অটোসহ সরকারি ও বেসরকারি পরিবহন, স্কুল ও কলেজ। বিশেষ করে রাস্তায় অবরোধ বা মিছিল হলে যান চলাচলে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ফলে অফিস যাত্রী ও পড়ুয়াদের ভোগান্তির বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোন পরিসেবা চালু থাকবে? যেদিন বন্ধ থাকছে তবুও কিছু জরুরি পরিসেবা চালুর কথা জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। যেমন হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা পরিসেবা, বেসরকারি অফিস, বিমানবন্দর, এটিএম, অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা। সাধারণ মানুষের জন্য সতর্কতা। দেশজুড়ে বন্ধের ফলে বহু জায়গা স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হতে পারে। প্রশাসনের তরফে নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে বাইরে বেরনোর আগে স্থানীয় পরিস্থিতি দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ভ্রমণ পরিকল্পনা বদলান। ব্যাংক ও সরকারি দপ্তরের।






